শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ডিএমপি

লেনদেনের দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে হত্যা

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১২ জুলাই ২০২৫, ১৬:০৫

ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁন ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শনিবার (১২ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জসীম উদ্দিন।

তিনি বলেন, গত ৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে ৬টার মধ্যে কোতোয়ালি থানাধীন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের তিন নম্বর গেটে এবং সংলগ্ন এ হত্যাকাণ্ড হয়। অনেক লোক একত্র হয়ে একজনকে বিভিন্নভাবে আঘাত করে হত্যা করেছে। এ ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠাই।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার নেপথ্যে অনেক রকম কথাবার্তা আমরা মিডিয়া দেখতে পাচ্ছি। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, ওই এলাকায় ভাঙারি ব্যবসা খুব প্রচলিত। সেখানে একটি ভাঙারি দোকান ছিল, সেই দোকানে কারা ব্যবসা করবে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। আমরা জানতে পেরেছি, যিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং যারা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে তারা পরস্পর সম্পর্কিত। তারা একসঙ্গে ব্যবসাটা কিছুদিন করেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। তারা নিজেদের মতো ব্যবসা করার জন্য সোহাগের সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত হয় এবং এ হত্যাকাণ্ড হয়।

তিনি আরও জানান, ৯ জুলাই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর ১০ জুলাই ভুক্তভোগী সোহাগের বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ৭। এ ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজ দেখে আমরা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করি এবং এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটা অপরাধ হলে কে অপরাধী সেটা বিবেচনা করে পুলিশ মামলা তদন্ত করে। তাদের রাজনৈতিক পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। অপরাধের সঙ্গে তাদের যে সম্পৃক্ততা এটা কি আমরা গুরুত্ব দিতে চাই। তারা কেন অপরাধটি করেছে এটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িয়ে তাদের পরিচয় দেখানো হচ্ছে। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে পরিচয় বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারিনি। যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তাদেরকেও আমরা জিজ্ঞেস করেছি তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা। এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য আমাদের দেয়নি। আমরা তাদের আরো নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবো।

চাঁদাবাজির কোনো বিষয় ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়টা আমাদের নলেজে নেই৷ আমরা এমন কোনো তথ্য পাইনি। আমরা যতটুকু জেনেছি এটা পারস্পরিক দ্বন্দ্বের বিষয়।

ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও ব্যবসায়িক এলাকায় দীর্ঘক্ষণ ধরে একটি নৃশংসতা হয়েছে। এক্ষেত্রে আগাম পুলিশিং ব্যবস্থা এবং পুলিশ টহলের ব্যতয় ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার দশ মিনিটের মধ্যে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময় বিএনপি'র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর