শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

চকরিয়া- কক্সবাজার মহাসড়কে টমটম ও ব্যাটারি রিক্সার বেপরোয়া চলাচল

সাদ্দাম হোসাইন, চকরিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১৩ আগষ্ট ২০২৫, ১৬:৩৪

চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুরপাল্লার ভারি যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে সমান তালে চলছে অবৈধ টমটম ও ব্যাটারী রিক্সাসহ তিন চাকার যানবাহন। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে যানজট, ঘটছে দুর্ঘটনা। অনেকটা হাইওয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব তিন চাকার যান যত্রতত্র পার্কিংসহ যাত্রী উঠা-নামা করায় মহাসড়ক সংলগ্ন ষ্টেশনগুলোতে যানজট লেগেই থাকে।

মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে দিব্যি যাত্রী উঠানামা করছে এসব অবৈধ পরিবহন। কোন রকম ভয়, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়া রাস্তায় দূরন্ত বেগে ছুটে যাওয়া ব্যাটারী চালিত এসব যানবাহনে বাড়ছে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা। এসব যানবাহনকে সাইট দিতে গিয়ে মুলত বেশী দূর্ঘটনা ঘটছে বলে জানান কয়েকজন দুরপাল্লার বাসের চালক।

অভিযোগ রয়েছে, একদিকে এসব ব্যাটারী চালিত যানবাহনের কারণে শহরের বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে। অপরদিকে বাড়ছে যানজট ও মারাত্মক দূর্ঘটনা। সরেজমিনে, শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ রিক্সার পাশাপাশি যন্ত্রচালিত এসব অবৈধ টমটম ও ব্যাটারী রিক্সা চলছে সমানতালে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এগুলোর সঠিক সংখ্যা জানাও দুষ্কর। এসব অবৈধ গাড়ির পেছনে পৌরসভার নম্বর প্লেটের পরিবর্তে অনেকটির গায়ে দেখা গেছে বিভিন্ন মালিকের নাম ও মোবাইল নাম্বার। জানতে চাইলে অনেক চালক জানায়, এটাই তাদের লাইসেন্স।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যাক্তিরা শিকার করেছেন এসব যানবাহনের অধিকাংশই অবৈধ। কিন্তু নীতিমালার সীমাবদ্ধতার অজুহাতে এগুলো নিয়ন্ত্রণের দায়দায়িত্ব নিতে চায় না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে পৌর কর্তৃপক্ষও এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ভাড়া নিয়েও চলছে এক ধরনের নৈরাজ্য। পৌর কর্তৃপক্ষ ভাড়ার তালিকা না মেনেই এরা প্রতিনিয়ত নিজেদের ইচ্ছেমত ভাড়া আদায় করছে যাত্রীদের কাছ থেকে। ওই রকম অসংখ্য অভিযোগ শহর অভ্যন্তরীন চলাচলরত রিক্সা, টমটমসহ ছোট বড় যানবাহনের বিরুদ্ধে। একটি বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তা রমজান আলী জানান, আমি দেখেছি এসব ব্যাটারী চালিত যানবাহন ব্যস্ত সড়কে চলে অনেকটা দূর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। কারন অধিকাংশ চালকই অশিক্ষিত ও অদক্ষ। অন্যদিকে বিদ্যুৎচালিত অটোরিক্সার পাল ঢাকা-চট্রগ্রাম শহর থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে এসছে কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলার আনাছে কানাছে। কেননা চট্রগ্রাম-ঢ়াকা শহরে বিদ্যুতের অপচয়ও যানজট নিরসনে এসব যানবাহন চালানো নিষিদ্ধ করেছিল প্রশাসন। এরপর থেকে ঢাকা - চট্রগ্রাম শহরের অটোরিক্সা গুলো ধেয়ে আসছিল গ্রাম থেকে গ্রামে।

এছাড়া এসব মোটর চালিত গাড়ির চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে অদক্ষ চালকের অসতর্কতার কারনে শহরে ইতিমধ্যেই ঝরে গেছে কলেজ পড়ুয়া সম্ভাবনাময়ী কয়েকটি তাজা প্রাণ। হাইওয়ে সড়কে চলাচলরত এ সকল অবৈধ সিএনজি, ব্যাটারী চালিত টমটম ও রিক্সার রামরাজত্ব থেকে পরিত্রান পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগীরা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর