শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

শ্রীনগরে ইজিবাইকে হাজার সংসার

শাজাহান খান, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ)

প্রকাশিত:
২৬ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:২৫

শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাজার পরিবারের সংসার চলছে ইজিবাইক চালিয়ে। পায়ে চালিত রিক্সা এখন প্রায় বিলুপ্তি প্রায়। দু’একটি দেখাগেলেও তাতে ইঞ্জিন লাগানো রয়েছে। রিক্সার পরিবর্তে অনেকেই নগদ ও কিস্তিতে ইজিবাইক ক্রয় করছেন।

এক সময় ইজিবাইকের তেমন চাহিদা না থাকলেও বর্তমানে এর চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুন। পরিবেশ বান্ধব, চালানো সহজ, দ্রুতচলে, ঝুকি কম, শব্দ নেই, ভাড়া ও জালানি খরচ কম, সময় অপচয় হয়না। আর এসব কারনেই অল্প সময়ের মধ্যে ইজিবাইক বা ব্যাটারিচালিত অটো সারা দেশের মত শ্রীনগর উপজেলায়ও সাধারণ মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

গত তিন-চার বছর আগেও উপজেলায় তেমন ইজিবাইক দেখা যায়নি। তবে এখন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ও পাকা সড়কে অতি সহজেই ইজিবাইক চলাচল করতে দেখাযায়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়কের স্ট্র্যান্ডে সারিবদ্ধ ভাবে ইজিবাইক দাড়িয়ে থাকতে দেখাযায়। যাত্রিদের প্রয়োজনে নিজনিজ এলাকার গন্ত্যবে পৌছে দেয় এ ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক। ইজি বাইকের পাশাপাশি উপজেলায় আরেকটি যানও চলাচল করতে দেখাযায়। ছোট এ যান গুলো মিশুক নামে পরিচিত।

প্রতিটি বড় ইজিবাইকে ছয়জন ও ছোট মিশুক গুলোতে তিনজন যাত্রি বসতে পারে। প্রতিদিন একটি বড় ইজিবাইক চার্জদিতে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা ও ছোট ইজিবাইক চার্জ দিতে খরচ হয় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। আর প্রতিদিন একটি ইজিবাইক থেকে এক জন চালক ৭/৮ শত থেকে একহাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। কখনও কখনও একটি ইজিবাইক থেকে চালক দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। এতে সাতছন্দে একটি পরিবার চলতে পারে। ইজিবাইক চালানো সহজ হওয়ায় যুবক, কিশোরসহ বৃদ্ধরাও অতি সহজে চালাতে পারে।

ইজিবাইক চালক ফয়সাল শেখ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন সড়কে অতি সহজেই ইজিবাইক চলাচল করতে পারে। অনেক ধরনের যানবহন থাকলেও ইজিবাইকে যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা রয়েছে। বাসে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাসে ওঠার জন্য ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় অপেক্ষায় করতে হয়। এছারা যাত্রি ওঠানো সম্পূর্ন হলে বাস গন্তব্য স্থানের উদ্যেশে ছেড়ে যায়। আর বাস না ছাড়া অবদি অযথা বসে সময় নষ্ট করতে হয়। আর ইজিবাইকে ৪/৫ জন আবার কখনও ২/৩ জন যাত্রি নিয়েও গন্ত্যবের উদ্যেশে রওনা দেয়। এতে ৫ থেকে ৭ মিনিট সময় ব্যয় হয়। ইজিবাইক খুব একটা বিকল হয় না। করোনাকালিন সময়ে অনেক বিদেশ ফেরত ও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায় আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরা। অনেকে নগদ ও কিস্তিতে ইজিবাইক ক্রয় করে তা চালিয়ে নিজের সংসার চালাচ্ছে। এভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাজার পরিবারের সংসার চলছে এখন ইজিবাইক চালিয়ে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর