শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি'র ১৬২ বস্তা চাল জব্দ

মো: সাইফুল ইসলাম, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

প্রকাশিত:
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলায় ভিজিডি ও ভিজিএফ (খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি) এর জন্য বরাদ্দ করা ১৬২ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করেছে প্রশাসন।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার গৌড় মন্দির রোডের একটি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযুক্ত দোকানদার হলেন—মো. মোতাহার মিয়া ও রহমত আলী। তাদের দোকান থেকে চাল সরানোর সময় আটক দুইজন হলো—উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আশুরাইল গ্রামের সারাজ মিয়ার ছেলে শাহা কামাল মিয়া এবং একই গ্রামের লালন মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া।

জানা গেছে, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত এ চাল গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল অবৈধ বিক্রির উদ্দেশ্যে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাসরিন এবং উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় সরকারি চাউল ও চাউলের সরকারি খালি বস্তা সহ একটি ওজন মাপার মিটার, একটি বস্তা সেলাইয়ের মেশিন উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একটি কক্ষে সংরক্ষণ করা হয়।

নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহীনা নাসরিন সাংবাদিকদের বলেন, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত করে সরকারি চাল আত্মসাৎ করা এক ধরনের অপরাধ। সরকারি চাল আত্মসাতের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা ১৬২ বস্তা চাউল এবং ১৫০টি খালি বস্তা উদ্ধার করেছি।

অন্যদিকে উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা, মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন“ নাসিরনগর উপজেলার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি চালু আছে,এই কর্মসূচির আওতায় গরীব ও দুস্তদের মাঝে চাউল বিতরণ করার জন্য ২৬জন ডিলার আছেন,তারা তাদের বরাদ্দকৃত চাউল খাদ্য গুদাম থেকে বুঝে নিয়ে যায় এবং এই চাউল প্রকৃত উপকারভোগী কার্ডধারীদের যথাযত নিয়মে বিতরণ করা হয়। আমরা এই অভিযানে চাউলের মালিক কে পাইনি।”

এ ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের কাছে অনিয়মকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

প্রশাসনের এ অভিযানে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে। সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করে আশা করছেন, নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালানো হলে ভবিষ্যতে কেউ আর সরকারি ত্রাণসামগ্রী আত্মসাতের সাহস দেখাবে না।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর