প্রকাশিত:
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:১৯
দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও চালু হয়নি শ্রীনগরে স্থাপিত মুন্সীগঞ্জের একমাত্র ট্রমা সেন্টার। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা কবলিতদের সেবাদিতে জেলার একমাত্র এই ট্রমা সেন্টারটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকায় প্রায় ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যায়ে ইংরেজি ২০১৮ সালে নির্মিত হয় এ ট্রমা সেন্টারটি। দফায় দফায় দরপত্র আহ্বান, নির্ধারিত স্থান পরিবর্তন ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফলতির পর ইংরেজি ২০০৭ সালে লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় ট্রমা সেন্টার নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করে জেলা গণপুর্ত অধিদপ্তর। তিন তলা ভবন নির্মানের জন্য গণপুর্ত অধিদপ্তর তিন দফায় ওই দরপত্র আহ্বান করেন। তৃতীয় দফায় দরপত্র আহ্বানের পরিপেক্ষিতে মের্সাস আব্দুস সাত্তার নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই ট্রমা সেন্টারের ৩ তলা ভবনের নির্মাণ কাজ পায়।
তবে ওই দর পত্রের প্রায় তিন বছর পর ইংরেজি ২০১০ সালের ২৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে শ্রীনগরের ষোলঘর এলাকায় ট্রমা সেন্টারের ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে ট্রমা সেন্টরটি চালু না হওয়ার সেবা দান প্রতিষ্ঠানটি করুন দশায় পরিনত হয়েছে। ভবনটির বাউন্ডারীর ভিতর ও বাহিরে চারপাশ ঝোপ-জঙ্গলে ছেয়ে গেছে। ফলে সন্ধ্যা নামলেই চারিপাশ অন্ধকার ও নিরিবিলি হওয়ায় ভবনটির বাউন্ডারী টপকিয়ে মাদক সেবিরা অনায়াশে ভেতরে প্রবেশ করে নানা ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করার নিরাপদ ঘাটি হিসেবে ব্যবহার করছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ। এছারা তিন-তলা ভবনের জানালার থাইয়ের গ্লাস গুলো ভেঙ্গে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই ভবনের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে শ্যাত শ্যাতে হয়ে পরছে। এছারা জানালা গুলোতে মরিচা ধরেছে, দেয়ালের অনেক স্থানের পলেস্তারা খসে পরেছে, বৈদ্যুতিক ও স্যানিটারি সরঞ্জাদি অকেজো হয়ে পরছে।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা.এটি.এম ওবায়দুল্লাহ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অর্থ বিভাগ থেকে অনুমোদন দিলেই আমরা খুব শিঘ্রই ট্রমা সেন্টারটি চালু করবো। অতিসত্তর মুন্সীগঞ্জ জেলার একমাত্র ট্রমা সেন্টারটির আনুষাঙ্গিক কাজ শেষ করে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সড়ক দূর্ঘটনা কবলিতদের সেবা দেওয়ার ব্যবস্থার দাবি শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলা বাসীদের।
মন্তব্য করুন: