প্রকাশিত:
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৫
সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা। উচু নিচুর বিভেদ ভূলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একত্র করে মহাসম্মেলন হয় বলে এ পূজাকে বলা হয় সার্বজনীন পূজা। আর শরৎকালে হয় বলে একে বলা হয় শারদীয় উৎসব। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর মহাষষ্ঠি পুজার মধ্যদিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা।
সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে উপজেলার হিন্দু পাড়া গুলোতে আগাম শারদীয় উৎসবের আমেজ বইছে। দেবীর আগমন উপলক্ষে প্রতিমাকে পূর্ণরুপ দিতে সারা দেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্তসময় পার করেছেন মৃতশিল্পি কারিগরেরা।
তাদের নিপুন হাতের ছোয়ায় কাঁদা-মাটি খড়, কাঠ, বাঁশ আর সুতলি দিয়ে তৈরি হয়েছে দূর্গা, লক্ষী, সরস্বতী, কার্তিক, গনেশ, অসুর, সিংহ, মহিষ, পেচা, হাঁস, সর্পসহ ১২টি অসাধারণ সুন্দর প্রতিমা। এখন চলছে প্রতিমায় রংয়ের কাজ ও নানা সাজসজ্জাসহ পূজা উৎসবের ব্যাপক প্রস্তুতি। সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন পুজামন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, মন্ডপ গুলোতে বিভিন্ন আকার আর নানা ঢংয়ের সব কারু কাজে দেবী দূর্গার মূর্তি নিয়ে ব্যস্ততা। মৃত শিল্পীরা জানান, মাটির কাজ কয়েকদিন আগেই শেষ করা হয়েছে। এখন শুধু ও রং ও সাজসজ্জার কাজ বাকি রয়েছে।
যথাযথ সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ হয়ে যাবে। শ্রীনগর উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধির দত্ত বলেন, এ বছর শ্রীনগর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে ৮৪ টি পূজা মন্ডপে একযোগে দূর্গা পূজা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এছারা পূজা মন্ডপ গুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাসহ আনসার, গ্রাম পুলিশ ও টেব অফিসারগণ সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। আর শান্তি পূর্ণভাবে দূর্গা উৎসব পালনের লক্ষ্যে নিয়মিত উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে পূজা মন্ডপের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ থাকবে বলেও জানান।
মন্তব্য করুন: