শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব নদী দিবসে তরী বাংলাদেশের গণ-গোসল কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

মোঃ সুজন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত:
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:০৯

“নদী বাঁচাতে নদীতে আসুন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ব নদী দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী গণ-গোসল কর্মসূচি। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সকালে সামাজিক আন্দোলন সংগঠন তরী বাংলাদেশ শহরের ভাদুঘর বাজার ঘাটে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ) জনাব রঞ্জন চন্দ্র দে। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “নদী এখন অতিমাত্রায় দূষিত হচ্ছে। এর দায় যেমন ব্যক্তির, তেমনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেরও। সরকার নদী সুরক্ষায় আন্তরিক। তরী বাংলাদেশের এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।”

আয়োজকরা জানান, নদী কেবল জলধারা নয়, এটি এক সভ্যতার ভিত্তি। নদীকে বাঁচাতে হলে মানুষের সঙ্গে নদীর বন্ধন পুনঃস্থাপন জরুরি। তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, “তিতাস নদী আমাদের প্রাণ। অথচ দখল ও দূষণে তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। মানুষ যতো নদীমুখী হবে, নদী ততই প্রাণবন্ত ও দখল-দূষণ মুক্ত থাকবে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো যদি যথাযথ নজরদারি রাখে তবে নদীর পানি, সীমানা, নাব্যতা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং আমরা ফিরে পাবো দেশীয় মাছের আধার।”

কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী, সোহেল রানা ভূঁইয়া, সুশান্ত পাল, খাইরুজ্জামান ইমরান, মোস্তফা দেলোয়ার, আব্দুর সাকির ছোটন, জুবাইদুর রহমান মেহেদী, শাকিল আহমেদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, এ গণ-গোসল শুধু প্রতীকী কর্মসূচি নয়, বরং নদীর সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা। তারা নদী দূষণ ও দখলের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

আয়োজনে তরী বাংলাদেশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবক এবং নদীতীরবর্তী এলাকার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী বলেন, “নদী সুরক্ষায় তরী বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর