শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ডিমের সাদা অংশ না কুসুম, কোনটি বেশি উপকারী?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:৩৯

ডিম আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অন্যতম সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার। এটি প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উৎস এবং শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম একটি আদর্শ খাবার যা একসঙ্গে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে।  

তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, ডিম কুসুমসহ খাবেন নাকি শুধু সাদা অংশ? চিকিৎসকদের মতে, এটি নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও পুষ্টি চাহিদার ওপর।

একটি ডিমে সাধারণত দুই-তৃতীয়াংশ সাদা অংশ ও এক-তৃতীয়াংশ কুসুম থাকে। সাদা অংশে থাকে উচ্চ মানের প্রোটিন, আর কুসুমে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কোলেস্টেরল, ও বিভিন্ন ভিটামিন-মিনারেল যেমন, ভিটামিন এ, ডি, ই, কে, ফলেট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, লুটেইন ও জিয়াজেন্থিন।

ডিমের কুসুম নিয়ে ভুল ধারণা

অনেকে মনে করেন, কুসুম খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। বাস্তবে, ডিমের কুসুমে থাকা কোলেস্টেরল শরীরের “ভালো কোলেস্টেরল” (HDL), যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডিমের সাদা অংশের উপকারিতা

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে: এতে ক্যালরি কম থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরলমুক্ত: যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল সমস্যা রয়েছে, তারা নির্ভয়ে সাদা অংশ খেতে পারেন।

উচ্চ প্রোটিন: শরীরের পেশি গঠনে সহায়ক।

ডিমের কুসুমের উপকারিতা

উচ্চ ক্যালরি ও পুষ্টি: এতে ভিটামিন ও মিনারেলের পাশাপাশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের সামগ্রিক পুষ্টি নিশ্চিত করে।

হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো: এতে থাকা পলি ও মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

চোখের জন্য উপকারী: লুটেইন ও জিয়াজেন্থিন চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।

কীভাবে খাবেন

সুস্থ মানুষ প্রতিদিন একটি পুরো ডিম (সাদা ও কুসুমসহ) খেতে পারেন। তবে যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডিমের কুসুমের পরিমাণ সীমিত রাখা উচিত।

সবশেষে বলা যায়, ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম দুটিই শরীরের জন্য উপকারী। শুধু জানা দরকার, কোন অংশ কতটা এবং কীভাবে খেলে শরীরের জন্য তা সবচেয়ে ভালো হয়।

চাইলে আমি এটিকে অনলাইন নিউজ পোর্টালের উপযোগীভাবে শিরোনাম, ইনট্রো ও সাবহেডিংসহ প্রকাশযোগ্য ফরম্যাটে সাজিয়ে দিতে পারি। করতে চাইলে বলবেন?

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর