প্রকাশিত:
৯ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৪৭
ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে ৭ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কাচপুর থেকে বরপা পর্যন্ত এ যানজট ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১ ঘটিকা থেকে মহাসড়কে যানজট শুরু হয়। যা দুপুর গড়িয়ে বিকেল তিনটার দিকে যানজট বেড়ে ৭ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, বৃষ্টির কারণে সড়কে তৈরি হওয়া খানাখন্দ দিয়ে যানবাহন পর্যাপ্ত গতিতে চলাচল করতে না পারা, মহাসড়কে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়া, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, নিয়ম ভঙ্গ করে রুটে গাড়ির একাধিক লাইন করাসহ বিভিন্ন কারণেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। দুপুরের পর থেকে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন মাইলে পর মাইল বিস্তৃত হয়ে পড়ে। এ সময় মহাসড়কের কাচপুর থেকে বরপা পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এদিকে যানবাহনের দীর্ঘ সারিতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের। দূরপাল্লার যানবাহনের হাজারো মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। শত শত যাত্রীকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
এক ভুক্তভোগী যাত্রী আল আমিন বলেন, এ মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে বরপা পর্যন্ত রাস্তায় যানজট যেন নৈমিত্য ব্যাপার। এ সড়ক ব্যবহারে প্রতিদিনই জ্যামে পড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট হচ্ছে।ই ছাড়ছে না। এসব দেখার কি কেউ নেই?
মেঘলা পরিবহনের চালক খাইরুল ইসলাম জানান, বরপা থেকে যানজটে আটকা পড়েছি। এক ঘন্টা লেগেছে তারাবো বিশ্বরোড আসতে। অথচ এটুকুন রাস্তা ৫ মিনিটে আসা যেত। প্রতিদিনের এই যানজট আমাদের আয় রোজগারে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সড়কে এসেই যানজটে আটকা পড়ি। এ সময় মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট দেখতে পাই। কখন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারব তা জানি না।
বাসযাত্রী আব্দুল করিম মিয়া বলেন, সিলেট থেকে আমার ঢাকায় আসতে সাধারণত পাঁচ-ছয় ঘণ্টা সময় লাগার কথা। কিন্তু আজ সকালম ৯ টায়রওনা হয়েছি, এখন ৪ টা বাজে ৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও তারাবো বিশ্বরোড পার হতে পারি নাই। কখন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো কে জানে।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন বলেন, বৃষ্টির কারণে সড়কে তৈরি হওয়া খানাখন্দ দিয়ে যানবাহন পর্যাপ্ত গতিতে চলাচল করতে না পারা, মহাসড়কে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়া, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, নিয়ম ভঙ্গ করে রুটে গাড়ির একাধিক লাইন করাসহ বিভিন্ন কারণেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে আমাদের হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনে তৎপর রয়েছে।
মন্তব্য করুন: