শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

শিশুর জন্য কোন ডিম সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:০০

বাচ্চার সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ডিম এক অনন্য খাদ্য। এতে থাকে প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কোলিন এবং নানা ভিটামিনযা মস্তিষ্ক, হাড় ও শরীরের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সব ডিম একরকম নয়। কোন ডিম বাচ্চার জন্য সবচেয়ে উপযোগী, তা জানা জরুরি।

 
দেশি মুরগির ডিম

.বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর হলো দেশি মুরগির ডিম।

.এতে প্রোটিন, ওমেগা-৩, কোলিন ও ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে।

.কোনো হরমোন বা কেমিক্যাল ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়।

.নিয়মিত খেলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

উপযুক্ত বয়স: ৭ মাসের পর থেকে কুসুম দিয়ে শুরু করা উচিত; পরে সাদা অংশ যোগ করা যায়।

কোয়েলের ডিম

ছোট হলেও পুষ্টিতে ভরপুর কোয়েলের ডিমে থাকে আয়রন, ভিটামিন বি১২, জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম। এটি হজমেও তুলনামূলক সহজ।
তবে প্রথমবার দেওয়ার সময় অল্প পরিমাণে দিতে হবে, কারণ কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এলার্জির ঝুঁকি থাকতে পারে।

উপযুক্ত বয়স: ৮ মাসের পর সিদ্ধ করে কুসুম দিয়ে শুরু করুন।

ব্রয়লার মুরগির ডিম

বাজারে সহজলভ্য ও দামেও কম। একটি ব্রয়লার ডিমে প্রায় ১১ ধরনের খনিজ ও প্রায় ৪০ ক্যালরি শক্তি থাকে। তবে অনেক সময় হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে এগুলো পুরোপুরি নিরাপদ নয়। রোদে কম থাকার কারণে এতে ভিটামিন-ডি’ও কম থাকে।

হাঁসের ডিম

হাঁসের ডিমে প্রোটিন বেশি থাকলেও কোলেস্টেরলের পরিমাণও বেশি। ফলে এটি ছোট বাচ্চার জন্য হজমে ভারি হতে পারে।

উপযুক্ত বয়স: ২ বছরের পর অল্প পরিমাণে দেওয়া যেতে পারে।

বিশেষ পরামর্শ

. শিশুকে সবসময় ভালোভাবে সিদ্ধ করা ডিম দিন।

. প্রথমবার অল্প পরিমাণে দিন এবং অন্তত ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন, অ্যালার্জি হচ্ছে কি না।

. কুসুম দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সাদা অংশ দিন।

. পুষ্টি ও নিরাপত্তার দিক থেকে দেশি মুরগির ডিমই বাচ্চার জন্য সেরা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর