শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ফিলিস্তিনি বন্দিকে নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস, শীর্ষ ইসরায়েলি জেনারেলের পদত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:৪৮

ফিলিস্তিনের এক বন্দির ওপর ইসরায়েলি সেনাদের নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস হয়েছে। এর জেরে পদত্যাগ করেছেন ইহুদিবাদী ভূখণ্ডের সেনাবাহিনীর প্রধান আইনি কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইফাত টোমার-ইয়েরুশালমি।

শুক্রবার তিনি পদত্যাগ করেন। ২০২৪ সালের আগস্টে ওই ভিডিও প্রকাশের অনুমতি তিনিই দিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও ফাঁসের পর ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়।

এই ঘটনা ইসরায়েলজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ডানপন্থী রাজনীতিকরা তদন্তের সমালোচনা করেন, এমনকি সেনা সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্তকারীরা ঘাঁটিতে প্রবেশ করলে বিক্ষোভকারীরা দুটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়।

ঘটনার এক সপ্তাহ পর একটি নিরাপত্তা ক্যামেরার ভিডিও ইসরায়েলের এন১২ নিউজে ফাঁস হয়। তাতে দেখা যায়, কয়েকজন সেনা এক বন্দিকে পাশে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, চারপাশে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকজন সশস্ত্র সৈন্য। পরে ভেতরে কী ঘটছে তা দেখা যাচ্ছিল না।

গত বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ভিডিও ফাঁসের ঘটনার ফৌজদারি তদন্ত চলছে এবং টোমার-ইয়েরুশালমিকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে টোমার-ইয়েরুশালমি বলেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আইনবহির্ভূত কিছু করেননি; বরং সেনাবাহিনীর আইনি বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা করেছেন। যুদ্ধ চলাকালে সেই বিভাগটি ‘ভিত্তিহীন অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তুতে’ পরিণত হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর