শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

রাজবাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনার বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ

রফিকুল ইসলাম, রাজবাড়ী

প্রকাশিত:
১১ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৪

রবি মৌসুমে আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রাজবাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলরুমে সদর উপজেলার ৩০০ কৃষকের মাঝে শীতকালীন পেঁয়াজের বীজ ও সার বিতরণের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারিয়া হক। সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান। তিনি বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে রবি মৌসুমে গম, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, শীতকালীন পেঁয়াজ, মসুর ও খেসারী ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য রাজবাড়ী জেলায় মোট ২০ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। তারই অংশ হিসেবে আজ সদর উপজেলার ৩০০ কৃষকের মাঝে ১ কেজি পেঁয়াজ বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হচ্ছে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারিয়া হক বলেন, “কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মূল ভূমিকা রাখছেন। সরকারের এ প্রণোদনা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাবে এবং তাদের মনোবল আরও বাড়াবে। প্রত্যেক কৃষক যেন সঠিকভাবে এই বীজ ও সার ব্যবহার করেন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, “সরকার কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণসহ কৃষি প্রণোদনার এই ধারাবাহিকতা কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলা প্রশাসন সবসময় কৃষকদের পাশে থাকবে।”

সভাপতির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। এ সাফল্যের পেছনে কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

শেষে উপকারভোগী কৃষকদের হাতে প্রণোদনার বীজ ও রাসায়নিক সার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর