শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

নরসিংদীতে ভূমি সেবার নামে অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগ

জহিরুল ইসলাম, নরসিংদী

প্রকাশিত:
২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৪

ডিজিটাল ব্যানারে নির্ধারিত ফি থাকার পরও অতিরিক্ত টাকা আদায়, ভুক্তভোগীদের হয়রানি—সব মিলিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে। নরসিংদীর পায়কারচর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বাইরে ডিজিটাল ব্যানারে লেখা—খারিজের সরকারি ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।

নির্ধারিত ফি: ১,১৭০ টাকা’, ‘আদায়কৃত ফি: ৯,০০০ টাকা’]অভিযোগ অনুযায়ী, ভূমি নায়েব কাজল মিয়া খারিজের জন্য একজন সেবাপ্রার্থী থেকে আদায় করেছেন ৯,০০০ টাকা। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি খারিজ প্রদান না করে বদলি হয়ে অন্যত্র যোগদান করেন।ব্যানারে লেখা ১১৭০ টাকা। কিন্তু তিনি ৯ হাজার টাকা নিলেন। তারপর খারিজ না দিয়েই বদলি হয়ে চলে গেলেন। আরেক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার অভিযোগ করেন—কাজল মিয়া তাদের কাছ থেকেও খারিজের জন্য ৫,০০০ টাকা নিয়েছেন। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি বদলি হয়ে চলে যান মনোহরদীর খিদিরপুরে। বদলি হওয়ার পর একই অভিযোগ উঠেছে খিদিরপুর ভূমি অফিসেও।

সেখানেও দুলাল নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৬,০০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে কাজল মিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে দেখা গেছে—পায়কারচর ভূমি অফিসে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কর্মচারীরা তড়িঘড়ি করে বিভিন্ন কাগজপত্র গুছানোর চেষ্টা করছেন। ডিজিটাল ভূমি সেবাকে সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করার কথা থাকলেও স্থানীয়দের অভিযোগের কারণে প্রশ্নের মুখে পড়ছে এই সেবার স্বচ্ছতা। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এখন কর্তৃপক্ষের তৎপরতা জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর