প্রকাশিত:
২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭:৪৮
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চাঁদা না পেয়ে মামলা ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। সিংগাইর উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আব্দুল হাই এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন একই ইউনিয়নের কাংশা গ্রামের শেখ গেদু মিয়ার ছেলে ভুক্তভোগী লাভলু মিয়া।
৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর ভুক্তভোগী প্রবাসী লাভলু মিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আব্দুল হাই। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ১৩ সালের হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আসামী করা হয়। মামলায় কারাবরণ করে জামিনে আসলেও তার স্বস্তি নেই। আব্দুল হাই দলবল নিয়ে বিনোদপুর বড় খন্ড মৌজার আর এস ৫৩০২, ৫৩০৩, ৫৪৫৯ সহ কয়েকটি দাগের ২৬ শতাংশ জমি জোর করে খুটি পুতে দখলের চেষ্টা করেন। এমতবস্থায় শংশয় ও আতঙ্কে আছেন ভুক্তভোগী লাভলু মিয়া।
ভুক্তভোগী লাভলু মিয়া বলেন, আমি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রবাসে ছিলাম। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত না, পদ পদবিও নেই। ৫ আগষ্টের পর আমার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আব্দুল হাই। টাকা না দিলে আমাকে ১৩ সালের হত্যা মামলায় আসামী করে। তখন আমি প্রবাসে ছিলাম। আমি জামিনে আসলে আব্দুল হাইসহ ১০-১২ জন কিশোর নিয়ে এসে জোর করে আমার জায়গায় কুটি পুতে দখল করে। আমি জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ আসলে ২৬ শতাংশ জায়গায় খুটি পুতে চলে যায়। চারটি খুটি উঠালে আমাদেরও পুতে ফেলবেন বলে হুমকি দেয়। চাঁদার টাকা না পেয়ে তারা এরকম করছে। তারা কোন কাগজ দেখাতে পারে না।
প্রতিবেশী মীর হোসেন বলেন, জন্মের পর থেকেই এ জমি লাভলু মিয়াদের ভোগ দখলে দেখছি। তার বাবা শেখ গেদু মিয়া প্রায় ৫০ বছর আগে জমিটি ক্রয় করে ভোগ দখল করে। এটা এখন জুলুম। আইনের মাধ্যমে সমাধান চাই আমরা।
অভিযুক্ত আব্দুল হাই বলেন, লাবুরে সামনে পাইলে খবর আছিলো, ঘটনাটি সম্পুর্ন মিথ্যা।
এবিষয়ে সিংগাইর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান খান রুমান বলেন, সরজমিন তদন্ত করে দেখেন। আমি এব্যাপারে এখনো কিছু জানিনা।
মন্তব্য করুন: