শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ফারুকী

খালেদা জিয়া যে জন্য লড়াই করেছেন, জীবদ্দশায় তার ফল দেখে গেছেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩:১১

বিএনপি চেয়ারপাসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশে চলছে শোকের মাতম। এই শোকের মাঝেও আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীনতা। এই প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবেগঘন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নিজের ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন ফারুকী। 

দীর্ঘদিন ধরে দেশের একটি মহল শহিদ জিয়াউর রহমানের পরিবার ও বিএনপির রাজনীতিকে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতিকে বছরের পর বছর যারা সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলের যোগসাজশে অবজ্ঞা করতে চেয়েছিলেন, তারাই আজকে জিয়া-খালেদা জিয়ার বাংলাদেশপন্থি রাজনীতিকে উদযাপন করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, দেরিতে হলেও তারা বুঝতে পেরেছেন- সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশ প্রথম নীতিকে অগ্রাহ্য করার আর সুযোগ নেই।

ফারুকী লিখেন, অন‍্য কোনো প্রশ্নের ঢাল দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন আড়াল করা যাবে না, বাংলাদেশের জন‍্য চব্বিশের এটাই শ্রেষ্ঠ উপহার। আনন্দের বিষয় এই যে, বেগম খালেদা জিয়া গ্রেসফুলি এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দীর্ঘদিন যে বিষয়ে লড়াই করেছেন, জীবদ্দশায় তার ফল দেখে গেছেন।

সবশেষে উপদেষ্টা লিখেছেন, তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) যে আজকে এ রকম সম্মানের বিদায় নিয়ে যাচ্ছেন, তার পেছনে অনেক কারণের একটা দেশের প্রশ্নে তার অনমনীয় অবস্থান। এই একই কারণেই এই প্রজন্মের কাছে তিনি এতটা রিলেভেন্ট।

প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বেগম খালেদা জিয়ার। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণ থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এরপর দেখা দেয় নিউমোনিয়া, সঙ্গে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরনো সমস্যা। হাসপাতালে ভর্তির পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) নেওয়া হয় তাকে। 

১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেয়া এই নেত্রী ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের নাম।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর