শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

দায়িত্ব নিয়েই ইসরাইলপন্থি নির্বাহী আদেশ বাতিল মামদানির, তেল আবিবের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:১১

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরাইলপন্থি বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ বাতিল করেছেন শহরটির মেয়র জোহরান মামদানি। তার এ পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন ফিলিস্তিনের অধিকারকর্মীরা। তবে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল সরকার। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মেয়র হিসেবে প্রথম কার্যদিবসে জোহরান মামদানি তার পূর্বসূরি এরিক অ্যাডামসের ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরের পর জারি করা সব নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দেন। ওই দিন অ্যাডামসের বিরুদ্ধে ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বাতিল করা নির্বাহী আদেশগুলোর একটি ছিল ইসরাইলকে বয়কট করার ওপর বিধিনিষেধ–সংক্রান্ত। এ ঘটনায় মেয়রের নিযুক্ত কর্মকর্তাদের এমন কোনো চুক্তি করতে নিষেধ করা হয়েছিল, যা ইসরাইল রাষ্ট্র, ইসরাইলের নাগরিক বা মার্কিন মিত্রদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি বৈষম্যমূলক হতে পারে।

এরিক অ্যাডামস তার মেয়াদের একদম শেষ দিকে এসব নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন। সমালোচকেরা এগুলোকে মামদানি প্রশাসনের জন্য বিতর্ক তৈরির একটি অপচেষ্টা হিসেবে দেখেন।

বাতিল হওয়া অন্য একটি নির্বাহী আদেশে ইন্টারন্যাশনাল হলোকাস্ট রিমেমব্রেন্স অ্যালায়েন্সের (আইএইচআরএ) দেওয়া ইহুদি–বিদ্বেষবিষয়ক একটি বিতর্কিত সংজ্ঞা গ্রহণ করা হয়েছিল। ফিলিস্তিনের অধিকারকর্মীরা বলছেন, সংজ্ঞাটি ব্যবহার করে ইসরাইলের নীতি বা কর্মকাণ্ডের যৌক্তিক সমালোচনাকেও ‘ইহুদি–বিদ্বেষ’ তকমা দিয়ে মানুষের কণ্ঠ রোধ করা হতো।

প্যালেস্টাইন ইয়ুথ মুভমেন্টের সদস্য নাসরিন ইসা বলেন, ইসরাইল ও এর সমর্থকেরা দীর্ঘদিন ধরে ‘ভিন্নমতকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার’ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘মামদানির এ সিদ্ধান্ত নিউইয়র্কবাসীর অধিকার ও ফিলিস্তিনিদের মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি সাহসী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ।’

কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) নিউইয়র্ক শাখার প্রধান আফাফ নাসের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘অসাংবিধানিক উপায়ে ইসরাইলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার এ নীতি জারি করা উচিত হয়নি।’

তবে মামদানির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরাইল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বলেছে, নবনির্বাচিত মেয়র তার প্রকৃত চেহারা দেখাতে শুরু করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মন্ত্রণালয় লিখেছে, ‘এটি কোনো নেতৃত্ব নয়। এটি জ্বলন্ত আগুনে ইহুদি–বিদ্বেষের ঘি ঢালার মতো কাজ।’

ইসরাইলের প্রবাসীবিষয়ক মন্ত্রী আমিচাই চিকলি মামদানিকে ‘হামাসের প্রতি সহানুভূতিশীল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ও লন্ডনের মুসলিম মেয়র সাদিক খানের সঙ্গে তুলনা করেন। তবে এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর