শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

নীরব কমিশন

প্রধান সড়ক পরিষ্কার হলেও অলিগলিতে আগাম প্রচার

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) স্পষ্ট নির্দেশনার পরও দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাড়া-মহল্লা ও অলিগলিতে এখনো ঝুলে আছে নির্বাচনি ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের এসব প্রচার সামগ্রী অপসারণে অনীহা স্পষ্ট হলেও এ বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে আগাম প্রচার সামগ্রী অপসারণের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি বিষয়টি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনকেও নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশনার কার্যকর প্রয়োগ হয়নি, যা দায়িত্বে অবহেলারই ইঙ্গিত দেয়।

সুশাসন নিয়ে কাজ করা এক নাগরিক সংগঠনের সম্পাদক বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার পরও প্রার্থীরা নিজেদের ব্যানার ও ফেস্টুন সরাননি, যা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের যে সুযোগ ছিল, তা ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাঁর মতে, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং সমর্থকদের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেরও দৃঢ় ভূমিকা প্রয়োজন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেয় ইসি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে লিখিত নির্দেশনাও দেওয়া হয়। নির্দেশনার পর রাজধানীর কিছু প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে এসব প্রচার সামগ্রী সরানো হলেও এক মাস পেরিয়ে গেলেও পাড়া-মহল্লা ও অলিগলি থেকে তা পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, আবাসিক এলাকার গলি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়াল, বিদ্যুতের খুঁটি, মেট্রোরেল পিলার, ফুটওভার ব্রিজ ও বাস টার্মিনালসহ নানা স্থানে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের পোস্টার এখনো ঝুলে রয়েছে। ডেমরা, খিলগাঁও, বাসাবো, মানিকনগর, মিরপুর, কালশী, পুরান ঢাকার একাধিক এলাকা এবং অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

যদিও প্রধান সড়ক থেকে অনেক জায়গায় ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করা হয়েছে, তবে অলিগলি ও আবাসিক এলাকায় ভিন্ন বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে। এসব স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য পোস্টার ও ফেস্টুন এখনো রয়ে গেছে, যা অপসারণে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

এ বিষয়ে প্রার্থীরা দাবি করছেন, অনেক আগেই কর্মী-সমর্থকদের পোস্টার ও ব্যানার সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অধিকাংশ জায়গা থেকেই তা অপসারণ করা হয়েছে। কোথাও অল্প কিছু পোস্টার রয়ে গেলে সেগুলোও দ্রুত সরানো হবে বলে আশ্বাস দেন তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁদের দাবি, নির্দেশনার পর নতুন করে কোথাও প্রচার সামগ্রী লাগানো হয়নি এবং আচরণবিধি মেনেই তাঁদের নির্বাচনি কার্যক্রম চলছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর