শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে খুলনায় মামলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোকে কটূক্তির অভিযোগে মানহানির মামলা দায়ের করেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের খুলনা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের সোনাডাঙ্গা আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় কুষ্টিয়া জেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের ডাবিরা ভিটার বাসিন্দা আমির হামজাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

মামলায় পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়, গত ১৬ জানুয়ারি খুলনা মহানগরের সোনাডাঙ্গা থানাধীন সি অ্যান্ড বি কলোনীতে অবস্থিত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের কার্যালয়ে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আসামির বক্তব্য নজরে আসে। ওই বক্তব্যে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম ব্যঙ্গ করে জনসম্মুখে অবমাননাকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

বাদীর অভিযোগ, উক্ত বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তার পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে।

এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়। এজাহারে আরো বলা হয়, বিষয়টি যাচাই-বাছাই ও সাংগঠনিকভাবে আলোচনা শেষে ন্যায়বিচারের আশায় কিছুটা বিলম্বে আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হন বাদী। মামলার স্বপক্ষে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ও প্রাসঙ্গিক প্রমাণ রয়েছে বলে নালিশে দাবি করা হয়।

নালিশে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মামলা আমলে গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানানো হয়েছে। বাদীর পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মোঃ বাবুল হাওলাদার। আইনজীবী মোঃ বাবুল হাওলাদার বলেন, সোনাডাঙ্গা আমলী আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান খান মামলাটি আমলে নিয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর