শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

এবার ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাপুয়া নিউগিনি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৮:১৪

প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউগিনিতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ (৫ এপ্রিল) শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ৪ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার পাপুয়া নিউগিনিck ৭ দশমিক ও ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

ইউরোপভিত্তিক ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ৪৯ কিলোমিটার (৩০ দশমিক ৪৫ মাইল)।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা পৃথক এক বিবৃতিতে বলেছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল দেশটির ওয়েস্ট নিউ ব্রিটেন প্রদেশের রাজধানী কিম্বে শহরের ১৯৪ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত পোমিও জেলায়ি।

প্রথম ধাক্কা কাটার পর ৩০ মিনিটের মধ্যে অন্তত ৪টি ‘আফটার শক’ অনুভূত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। ভূকম্পনের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল ইউএসজিএস, তবে পরে তা প্রত্যাহার করেছে সংস্থাটি।

ভূমিকম্পের ফলে পাপুয়া নিউগিনিতে এখনো নিহত বা আহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিকম্প একেবারে বিরল দুর্যোগ নয়। প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা ‘আগ্নেয় মেখলা’ টেকটনিক প্লেটের ওপর অবস্থানই দেশটিতে ভূমিকম্পের প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত।

এর আগে ২৮ মার্চ মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশে এর প্রভাব অনুভূত হয়। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ৩৩৫৪ জন মানুষ নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর–উত্তরপশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ, ভারত, লাওস, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং চীনে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর