শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

শাহজাদপুরে ঘুষের টাকা ফেরৎ চেয়ে ইউএনও’র কাছে আবেদন!

মোঃ রায়হান আলী, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
২৩ জুন ২০২৫, ১৮:০৬

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ জাকিরুল ইসলামকে দেওয়া উৎকোচের টাকা ফেরৎ চেয়ে আবেদন করেছেন একজন ভূক্তভোগী। উপজেলার করশালিকা গ্রামের আব্দুল হাই সরকারের সন্তান মোঃ গোলাম হোসেন গত ২৯ এপ্রিল এই আবেদন করেন। এদিকে আবদনের প্রায় ২ মাস হতে চললেও উৎকোচের টাকা ফেরত না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ভূক্তভোগী। সেইসাথে এতদিনেও ঘটনার কোন সুরাহা না হওয়ায় এক কান দু’কান হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসায় শাহজাদপুরে বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শাহজাদপুর উপজেলার করশালিকা এবং চরধুনাইল গ্রামের সর্বসাধারণের নিজ অর্থে রাস্তা নির্মানের জন্য করতোয়া নদী খননের বালির প্রয়োজনে শাহজাদপুর ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জাকিরুল ইসলামের কাছে গ্রামবাসীর পক্ষে শরণাপন্ন হন মোঃ গোলাম হোসেন। একপর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে গ্রামবাসীর পক্ষে প্রতিবেদন দিতে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করেন সার্ভেয়ার মোঃ জাকিরুল ইসলাম। বিকল্প কোন উপায় না থাকায় গ্রামবাসীর রাস্তার প্রয়োজনে প্রতিবেদন পক্ষে নেওয়ার জন্য মোঃ গোলাম হোসেন ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ প্রদান করেন। কিন্তু উৎকোচ দিয়েও ভূমি অফিস থেকে গ্রামবাসীর পক্ষে প্রতিবেদন না দেওয়ায় উৎকোচের টাকা ফেরৎ চেয়ে গত ২৯ এপ্রিল শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামানের কাছে আবেদন করেছেন ভূক্তভোগী মোঃ গোলাম হোসেন।

বিষয়টি নিয়ে ভূক্তভোগী গোলাম হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি হতাশা প্রকাশ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, তার এলাকায় নদী খননের বালি নিয়ে চলছে হরিলুট। প্রশাসনের কেউ কেউ হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। অথচ জনগনের নিজস্ব টাকায় নিজেদের চলাচলের রাস্তা তৈরি করার জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। এখন ঘুষের টাকাও ফেরৎ দিচ্ছে না। সেই টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য ইউএনওর কাছে আবেদন করলেও ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এ্যসিল্যাÐকে। যে অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই অফিসকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই ভূক্তভোগী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার মোঃ জাকিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কারোও নিকট থেকে কোন প্রকার উৎকোচ নেননি।

কথা হলে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, এ ঘটনা তদন্তের জন্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মুশফিকুর রহমানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর দোষী প্রমাণ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর